লেবুর খোসা কি ফেলে দেন? জানুন এর উপকারিতা ও ব্যবহার✔

লেবুর খোসা কি ফেলে দেন? জানুন এর উপকারিতা ও ব্যবহার✔


 লাইফস্টাইল ডেস্ক- চলমান করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতির মধ্যে দেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বেশি বেশি ভিটামিন-সি গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। আমাদের দেশে ভিটামিন-সি এর সবচেয়ে ভালো উৎস হিসেবে ধরা হয় লেবুকে।

তাই বলে আপনি কি রস বের করে ফেলার পরে লেবুর খোসা ফেলে দেন? আপনার স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য লেবুর খোসা কতটুকু দরকারি তা জানার পর আপনি এ অভ্যাসটি পরিবর্তন করবেন তা হলফ করে বলাই যায়। মজার বিষয় হলো প্রতিটি লেবুর খোসাই পুষ্টিতে পরিপূর্ণ এবং এটি আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

এছাড়াও, ত্বকের যত্নে লেবুর খোসার বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে এবং ঘরে ব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিসের সুরক্ষায়ও কাজে আসে। আর দেরি কেন, লেবু ও এর খোসার উপকারিতা ও ব্যবহার সর্ম্পকে জেনে নিন এ নিবন্ধে।

লেবুর খোসা খাওয়ার উপকারিতা

পুষ্টি সরবরাহ করে

লেবুর রসের মতো এর খোসাতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। বাস্তবতা হলো, লেবুর খোসা এর রসের চেয়ে প্রায় ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। প্রায় ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় ১৩৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ম, ১৬০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ১২৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার রয়েছে।

হাড়কে মজবুত করে

ভিটামিন-সি এবং ক্যালসিয়াম আপনার হাড়কে মজবুত করতে এবং হাড়ের স্বাস্থ্যগত উন্নতি ঘটাতে পারে। লেবুর খোসার এ পুষ্টিগুলো প্রদাহজনিত পলি আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করে

ভিটামিন-সি এর অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল ক্ষমতা আপনার নাড়িভুঁড়ি/অন্ত্রের ভেতরে থাকা কৃমি এবং পরজীবী জীবাণু মেরে আপনাবে রক্ষা করতে পারে। এর এ বৈশিষ্ট্য আপনার দেহের বিভিন্ন অঙ্গকে বিভিন্ন ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

একইভাবে লেবুর রসের মতো লেবুর খোসাও সাইট্রাস বায়োফ্লাভোনয়েড সমৃদ্ধ। যা আপনার জারণ চাপের মাত্রা কমাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। এছাড়াও আর যা আছে তা আপনার দেহের ভেতরকে ক্ষারীয় করে তোলে। লেবুর খোসা ক্যান্সারও প্রতিরোধ করতে পারে। আপনি হয়ত জানেন যে অ্যাসিডিক পরিবেশে ক্যান্সারের কোষগুলো বাড়তে থাকে। লেবুর খোসা আপনার দেহের ভেতরে ক্যান্সার কোষগুলোর বেড়ে ওঠার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন এমন উপাদান লিমোনিন এবং সালভস্ট্রোল কিউ৪০ এর মতো উপাদান সরবরাহ করে।

কীভাবে খাবেন লেবুর খোসা?

লেবুর থেকে ছাড়ানো খোসা আপনি জমিয়ে শুকিয়ে রাখতে পারেন। যাতে এগুলোকে ভালোভাবে গুড়ো করে নিতে পারেন। এটা করার সহজ উপায় হলো ওভেন ব্যবহার করে ২০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় লেবুর খোসাগুলোকে ভাজাভাজা করা নিতে পারেন এবং সেঁকা খোসাগুলোকে পরে গুঁড়ো করে নিন। লেবুর খোসা গুঁড়ো বিভিন্নভাবে খাওয়া যেতে পারে। আপনি আপনার প্রতিদিনকার খাবার, পানীয়, অর্গানিক চা এবং স্যুপে লেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।


লেবুর খোসা খাওয়া কতটা নিরাপদ?

লেবুর খোসা অক্সালেটের এক বড় উৎস। প্রতিদিন ৮০ মিলিগ্রামেরও বেশি অক্সালেট গ্রহণ কিডনি এবং পিত্তথলিতে পাথর তৈরি করতে পারে। ১ চা চামচ লেবুর খোসাতে প্রায় ২৫ মিলিগ্রাম অক্সালেট থাকতে পারে। তাই, প্রতিদিন লেবুর খোসা গ্রহণের সর্বাধিক মাত্রা ৩ চা চামচের বেশি হওয়া উচিত নয়।

ত্বকের যত্নে লেবু খোসার ব্যবহার

ত্বক উজ্জ্বলকারী বডি স্ক্রাব

এক মুঠো লেবুর খোসার পেস্ট করে নিন। তারপরে ১-২ কাপ চিনি দিয়ে পেস্টটি ভালো করে মেশান। পরে আপনার ত্বকের ধরন বিবেচনা করে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। শুষ্ক ত্বকের জন্য তৈরি পেস্টে তৈলাক্ত ত্বকের চেয়ে বেশি তেল দিয়ে মিশ্রণটি তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি তৈরি করার পরে, ভেজা ত্বকে আলতোভাবে ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন। এবার আপনি পরিষ্কার পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন। এ স্ক্রাব ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখাবে এবং ত্বকের মৃত কোষগুলোকে জীবিত করে তুলবে। লেবুর খোসার এ স্ক্রাবটি আপনার শুকনো কনুই নরম করতেও সহায়তা করবে। সপ্তাহে একবার আপনি লেবুর খোসার স্ক্রাব লাগাতে পারেন।

ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার

এক চিমটি লেবুর খোসার গুঁড়োর সাথে ২ টেবিল চামচ চালের গুড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এ মিশ্রণটিতে ঠাণ্ডা দুধ দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ত্বকের মৃত কোষগুলোকে জীবিত করে তুলতে এ পেস্টটি আপনার মুখের ভেজা ত্বকে সমানভাবে মেখে দিন। ১৫ মিনিটের জন্য মুখে এটি রেখে দিন। তারপরে পরিষ্কার পানি দিয়ে আপনার মুখটি ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর খোসার এ ফেস প্যাকটি আপনার ত্বক-কোষকে চাঙা করে তুলবে।

পা ফাটার চিকিৎসায়

এক কাপ ঝাঁঝরা করা লেবুর খোসা গুঁড়ো করে নিন। পরে এ গুঁড়োতে পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে মিশ্রণের মতো পেস্ট তৈরি করুন। এবার তৈরি করা এ পেষ্টটি আপনার ফাটা পায়ে লাগিয়ে নিন। এর পরে আপনার পায়ে মোজা পড়

NU ডিগ্রি ১ম বর্ষের বোর্ড চ্যালেঞ্জ আবেদন 2020

NU ডিগ্রি ১ম বর্ষের বোর্ড চ্যালেঞ্জ আবেদন 2020

Notice for Degree 1st Year Result Challenge 2020

 NU ডিগ্রি ১ম বর্ষের বোর্ড চ্যালেঞ্জ আবেদন 2020 করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। আজ ১২ আগষ্ট  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের ডিগ্রি ১ম বর্ষের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। যারা আশানুরূপ ফলাফল পাননি তারা চাইলে ফলাফল নিপুনঃ নিরীক্ষনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের নিয়ম / পদ্ধতিঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের এই লিঙ্কে গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (এর আগে কিংবা পরে পাবেন না) আবেদন ফরম পাবেন। এই ফরম পূরণ করে Pay Slip ডাউনলোড করতে হবে। Pay Slip এ সংশ্লিষ্ট খাতের সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ০২১৮১০০০০০১৩৫ উল্লেখপূর্বক টাকার অংক লেখা থাকবে এবং এর প্রিন্ট কপি নিয়ে নিকটস্থ যে কোন সোনালী ব্যাঙ্কের শাখায় জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।

সতর্কতাঃ রেজিস্ট্রেশন নম্বর যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পূর্বে ও পরে আবেদন ফরম পূরণ করা, Pay Slip ডাউনলোড করা এবং টাকা জমা দেওয়া যাবে না। ব্যাংকে প্রচলিত অন্য কোন ফরমে টাকা জমা দিলে সমস্যা হতে পারে। তাই ভুলেও এই কাজ করবেন না।

আবেদনের ফিঃ প্রতি পত্রের পুন:নিরীক্ষণের আবেদনের জন্যে ৫০০ টাকা করে ফি প্রদান করতে হবে।

Degree First Year Result Challenge 2020

  • Start Date: 20 /08/2020 at 10:00 am

  • End Date: 20/09/2020 at 02:00 pm

  • Payment End: 24/09/2020 at 04:00 pm

  • Payment Medium: Soanli Seba(Sonali Bank)

  • Payment Amount: 500/=
  1. At first Go To nu.ac.bd
  2. then Click => Services
  3. after that Click => Sonali Sheba
  4. and Click=> Re-scrutiny Under Student Fee Menu


রাসুল (সাঃ) নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট: রণক্ষেত্র বেঙ্গালুরু; গুলিতে নিহত ৩

রাসুল (সাঃ) নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট: রণক্ষেত্র বেঙ্গালুরু; গুলিতে নিহত ৩


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি বিতর্কিত পোস্ট ঘিরে রণক্ষেত্র বেঙ্গালুরু। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট দেয়ায় সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে এখনও পর্যন্ত তিন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৬০ জন পুলিশ। ঘটনায় প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ও গুলি চালিয়েছে। খবর জি নিউজ ও হিন্দুস্তান টাইমসের।

খবরে বলা হয়েছে, কংগ্রেস বিধায়ক শ্রীনিবাস মূর্তির ভাতিজার একটি পোস্টকে ঘিরে সংঘর্ষের সূত্রপাত। গতকাল ফেসবুকে একটি ‘বিতর্কিত’ পোস্ট করেন নেতার ভাতিজা। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। রাতে মূর্তির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। বাড়ি লক্ষ্য করে চলে পাথর নিক্ষেপ; আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় ২-৩টি গাড়িতে। এরপরই ডিজে হাল্লি থানায় গিয়ে ভাঙচুর চালায় হামলাকারীরা।

ইতোমধ্যে ফেসবুকে দেয়া পোস্টটি মুছে দিয়েছেন তার ভাতিজা নবীন। যদিও তার অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়েছিল বলে দাবি করেন নবীন। এদিকে সামাজিক মাধ্যমে অবমাননামূলক মন্তব্যের দায়ে নবীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ভারতের সবচেয়ে বড় সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনালের (এএনআই) খবরে বলা হয়, মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট দেয়ায় শ্রীনিবাস মূর্তির বাড়িতে হামলা করা হয়েছে।

বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার কামাল পান্ত বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে। আগামীকাল সকাল পর্যন্ত সহিংসতা কবলিত ডিজি হাল্লি ও কেজি হাল্লি এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। বেঙ্গালুরু শহরে বড় ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসবরাজ বোমাই বলেন, ঘটনার তদন্ত করা হবে। হিংসা ও ভাঙচুর বরদাস্ত করা হবে না।

বিয়ের ২২ মাসেও স্পর্শ করতে দেয়নি স্ত্রী, স্বামীর আত্মহত্যা

বিয়ের ২২ মাসেও স্পর্শ করতে দেয়নি স্ত্রী, স্বামীর আত্মহত্যা


 স্বামী আত্মহত্যা করার ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ওই নারী বিয়ের পর ২২ মাস কেটে গেলেও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াননি। মৃত্যুর আগে তার স্বামী অভিযোগ করেছেন, বিবাহিত জীবনে বিশেষ সম্পর্কে না জড়াতে পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

এ ঘটনায় ভারতের আহমেদাবাদের শাহেরকটডা পুলিশ মানিনগরের ওই নারীকে আটক করেছে। মৃতের মায়ের অভিযোগর ভিত্তিতেই অভিযুক্ত গীতা পারমারকে আটক করা হয়।

পুলিশ বলছে, মৃত সুরেন্দ্র সিনহা রেলে চাকরি করতেন। ২০১৮ সালের অক্টোবরে তাদের বিয়ে হয়। এর আগে ২০১৬ সালে সুরেন্দ্রর প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন। এদিকে গীতা আরো দুইবার তালাকপ্রাপ্তা।


মৃতের মা অভিযোগে বলেছেন, আমার ছেলে আর তার বউ আলাদা বিছানায় ঘুমাতো। এ ব্যাপারে আমার ছেলের কাছে জানতে চাইলে সে বলেছে, স্বামী হিসেবে সে কোনো অধিকারই পায়নি।

তিনি আরো বলেছেন, স্ত্রীর কাছ থেকে অধিকার না পেয়ে আমার ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। এছাড়া যে কোনো সামান্য ইস্যু নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। কিছু হলেই গীতা বাপের বাড়ি চলে যেত। এসব সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলেটা আত্মহত্যা করল।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

যে ৬ ব্যক্তির দোয়া সব সময় কবুল হয়

যে ৬ ব্যক্তির দোয়া সব সময় কবুল হয়

আল্লাহ তাআলা পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন। এ জন্য অনেক ইসলামিক স্কলার সব সময় পবিত্রতা অর্জনকারী ব্যক্তিদের মুসতাজেবুদ দাওয়াহ মনে করেন। কোনো ব্যক্তি যখন সমস্যাগ্রস্ত হয়ে ওজুর মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে আল্লাহর কাছে একান্ত মনে প্রার্থনা করেন, তবে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির দোয়া কবুল করে নেন। তবে এ ছাড়াও এমন ৬ ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের দোয়া আল্লাহ সব সময় কবুল করেন। তারা হলেন-- অসুস্থ ব্যক্তির দোয়া অসুস্থ ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়ে থাকে। অসুস্থতা মানুষের গোনাহকে কমিয়ে দেয়। মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়। হাদিসে এসেছে- কোনো অসুস্থ ব্যক্তির কাছে গেলে তার কাছে নিজের জন্য দোয়া চাওয়া। কেননা অসুস্থ ব্যক্তির দোয়া বা মিনতি ফেরেশতাদের দোয়া মিনতি করার মতা।' (ইবনে মাজাহ)- রোজাদার ব্যক্তির দোয়ারোজাদারের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা মুখে দোয়া মানুষের জন্য সোনালী সময়। হাদিসে এসেছে-হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রোজাদার ব্যক্তি যখন ইফতারের সময় তার রোজা ভাঙে বা ইফতার করে। সে সময় রোজাদারের দোয়া ফেরত দেয়া হয় না।' (ইবনে মাজাহ)- হজরত আব্দুল্লাহ বিন আম‌র ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ইফতারের সময় রোজাদারের অবশ্যই একটি দোয়া আছে, যা ফিরিয়ে দেয়া হয় না (কবুল হয়)। ইবনে আবু মুলাইকা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ইফতারের সময় বলতে শুনেছি-اللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِيউচ্চারণ : 'আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিরাহমাতিকা ওয়াসিআত কুল্লা শাইয়িন আন তাগফিরলি।'অর্থ : 'হে আল্লাহ! আমি আপনার দয়া ও অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি যা সব কিছুর উপর পরিব্যাপ্ত, যেন আপনি আমাকে ক্ষমা করেন।' (ইবনে মাজাহ)- সন্তানের জন্য বাবার দোয়াসাধারণত মায়েরাই বাচ্চার জন্য বেশি দোয়া করে থাকেন। মায়ের তুলনায় বাবারা দোয়া কম করে থাকেন। কিন্তু কোনো বাবা যদি সন্তানের জন্য বদ-দোয়া করেন আল্লাহ তাআলা তা ফেরত দেন না। হাদিসে এসেছে-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন-- নির্যাতিত ব্যক্তির দোয়া,- মুসাফিরের দোয়া আর- সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি)
- কারও অনুপস্থিতিতে অন্য ব্যক্তির দোয়াকোনা ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য তার অনুপস্থিতিতে দোয়া করেন, তবে আল্লাহ তাআলা সে দোয়া কখনও ফেরত দেন না। হাদিসে এসেছে-হজরত উম্মে দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, আমার স্বামী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তি যদি তার কোনো ভাইয়ের জন্য তার পেছনে (তার অনুপস্থিতিতে) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে, তবে ফেরেশতা সে দোয়া (কবুলে) 'আমিন' বলেন। (আর কান্নাকাটি করে দোয়া করলে) নিজের জন্যও এ দোয়া কবুল হয়।' (মুসলিম)- মাজলুম ব্যক্তির দোয়াযে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তি-গোষ্ঠীর দ্বারা জুলুমের স্বীকার হয়, অত্যাচারিত হয় ওই ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। হাদিসে এসেছে-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি)হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, 'যে লোক তার প্রতি অত্যাচারকারীর বিরুদ্ধে দোয়া করল সে প্রতিশোধ গ্রহণ করল।' (তিরমিজি)- মুসাফিরের (সফরকারী) দোয়াযে ব্যক্তি সফরে থাকে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির দোয়া কবুল করেন। হাদিসে এসেছে-যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তি-গোষ্ঠীর দ্বারা জুলুমের স্বীকার হয়, অত্যাচারিত হয় ওই ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। হাদিসে এসেছে-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তারা হলেন- নির্যাতিত (মজলুম) ব্যক্তির দোয়া, মুসাফিরের দোয়া আর সন্তানের প্রতি বাবার বদ-দোয়া। (তিরমিজি)বিশেষ সতর্কতাকোনো সন্তানেরই উচিত নয়, বাবা-মার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা। কেননা বাবা-মা সন্তানের জন্য জান্নাত ও জাহান্নাম। সন্তান যদি বাবা-মার বাধ্য হয় তবে জান্নাত সুনিশ্চিত। আর যদি অবাধ্য হয় তবে জাহান্নাম সুনিশ্চিত।আবার কোনো ব্যক্তির সঙ্গে জুলুম করা হলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে আল্লাহর সঙ্গে পর্দা থাকে না। সে যে দোয়া করে আল্লাহ তাআলা তা কবুল করে নেন। সুতরাং কারো প্রতি জুলুম করা মারাত্মক অপরাধ।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের নির্দেশনাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন। হাদিসগুলোর ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।



 

তেলাপোকা দূর করার সহজ উপায়

তেলাপোকা দূর করার সহজ উপায়



তেলাপোকার উপদ্রব সহ্য করতে হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। সাধারণত, বাড়িঘর ময়লা থাকলে সেখানে তেলাপোকা বাসা বাঁধে। তাই ঘর পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি তেলাপোকার দূর করার অন্যান্য পন্থা সম্পর্কেও সচেতন থাকা প্রয়োজন। গৃহস্থালী-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ঘর থেকে তেলাপোকা দূর করার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানান হল।
ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখা: তেলাপোকার যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে এর বিকল্প নেই। তেলাপোকা খাবার ও ময়লা স্থান পছন্দ করে এবং সেখানেই বাসা বাঁধে। নিয়মিত বাড়ি-ঘর পরিষ্কার করা হলে তেলাপোকা বাসা বাঁধতে পারেনা।

চুলের স্প্রে ব্যবহার: তেলাপোকার ওপর চুলের স্প্রে দিয়ে স্প্রে করলে তা আর নড়তে পারে এবং একটা পর্যায়ে দুর্বল হয়ে যায় তখন তা সরিয়ে বা মেরে ফেলতে পারেন।
তেজ পাতা: তেলাপোকা তেজ পাতার গন্ধ সহ্য করতে পারেনা। তাই তেজপাতা গুঁড়া করে তা ঘরের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে রাখুন। আর তেলাপোকা কোথায় বাসা বেঁধেছে তা জেনে থাকলে সেখানেই ছিটিয়ে দিন। এর গন্ধে তারা সেস্থান ত্যাগ করবে।
অ্যামোনিয়া: যদিও এর গন্ধটা খুব একটা ভালো না তবুও তেলাপোকার উপদ্রপ থেকে বাঁচতে রান্নাঘরের আনাচেকানাচে অ্যামোনিয়া দিয়ে পরিষ্কার করুন। এক বালতি পানিতে দুই কাপ অ্যামনিয়া মিশিয়ে তা দিয়ে ঘর পরিষ্কার করে নিন।
আঠার ব্যবহার: এই পদ্ধতি খুব সহজ ও কার্যকর। উন্নত মানের আঠা যেমন- ডাক টেপ ঘরের বিভিন্ন স্থানে আঠালো অংশ উপরিভাগে দিয়ে রেখে দিন। এর উপর দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে তেলাপোকা আটকে যাবে।